মানুষের মাঝে আজকাল নানা রকমের আচরণগত আসক্তি দেখা যাচ্ছে, যার মধ্যে কর্মাসক্তি একটি অস্বাস্থ্যকর এবং অপ্রয়োজনীয় আচরণগত প্রবণতা।

বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে কাজের প্রতি মনোযোগ দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু একজন কর্মাসক্ত মানুষ হলেন এমন ব্যক্তি, যিনি কাজের প্রতি অতিরিক্ত আসক্ত। তারা জোরপূর্বক এবং অতিরিক্তভাবে কাজ করেন, এমনকি তারা কাজ করা থেকে কোন ভাবেই বিরত থাকতে পারেন না এবং এটি তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর, পারস্পরিক সম্পর্কের উপর ভীষণ নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। যেমন-একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তি মদের উপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, তেমনই একজন কর্মাসক্ত ব্যক্তি তার কাজকেই শুধু জীবনযাপনের একমাত্র উদ্দেশ্য হিসেবে দেখে। তারা নিজেদের ব্যক্তিগত জীবন, সম্পর্ক ও শারীরিক-মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতির পরোয়া না করেই অবিরত কাজ করতে থাকে। এটি সাধারণত কাজের প্রতি অতিরিক্ত দায়বদ্ধতা, পারফেকশনিজম, এবং অবসর বা বিনোদন এড়িয়ে যাওয়ার মাধ্যমে প্রকাশ পায়।

Frontiers in Psychology-এ প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, ইন্দোনেশিয়া এবং কোরিয়ার মতো দেশে, ওয়ার্কাহলিক সংস্কৃতির ব্যাপকতা অত্যন্ত লক্ষণীয়। কোরিয়ায় প্রায় ৩৯.৭% কর্মচারী ওয়ার্কাহলিক হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা যেতে পারে। (socio-demographic) উপাদান যেমন লিঙ্গ, বয়স, কর্মঘণ্টা এবং চাকরির স্বেচ্ছাসেবী প্রকৃতির দ্বারা প্রভাবিত হয় (Kang, 2020). ইন্দোনেশিয়ায়, “হাসল কালচার” বা ওয়ার্কাহলিজম ক্রমশ বাড়ছে, বিশেষ করে সহস্রাব্দ (millennials) প্রজন্মের মধ্যে। এই সংস্কৃতি সফলতা অর্জনের উচ্চাকাঙক্ষা এবং সামাজিক মাধ্যমে সফল তরুণদের প্রদর্শিত জীবনের দ্বারা চালিত হয়। ASEAN Briefing-এর বিবরণ অনুযায়ী, ইন্দোনেশিয়ায় সাধারণত কর্ম সপ্তাহ প্রায় ৪০ ঘণ্টার হয়, তবে জাকার্তাভিত্তিক অনেক কর্মীর জন্য বাস্তবতা আরও কঠিন।

অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা OECD (Organization for Economic Co-operation and Development) -এর ২০২২ সালের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছর জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, এবং মেক্সিকোতে কর্মীরা গড়ে ২,০০০ ঘণ্টার বেশি কাজ করেন, যা অন্যান্য অনেক দেশের তুলনায় বেশি। অন্যদিকে, জার্মানির মতো কিছু দেশে বার্ষিক গড় কর্মঘণ্টা অনেক কম, যেখানে এটি মাত্র ১,৩৪০ ঘণ্টা। এছাড়াও American Heart Association এর মতে, কর্মাসক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে দীর্ঘসময় কাজ করা ব্যক্তিদের মধ্যে ৭০% ক্ষেত্রে হৃদরোগ ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বেশি থাকে।

বাংলাদেশ লেবার ফোর্স সার্ভে (BBS, 2023) অনুযায়ী, ৮০% কর্মী মনে করেন তারা কাজের অতিরিক্ত চাপ অনুভব করেন, যা তাদের মানসিক ও শারীরিক সুস্থতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

কীভাবে বুঝবেন আপনি কর্মাসক্তিতে আক্রান্ত?

আপনি কি সবসময় ব্যস্ত থাকেন? কাজ না করলে কি অস্বস্তি লাগে? তাহলে হতে পারে, আপনি কর্মাসক্ত (Workaholic)। কর্মাসক্তি আসলে কোনো গর্বের বিষয় নয়, এটি এক ধরনের মানসিক চাপের ফল, যা আপনার শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

পাঁচটি সহজ প্রশ্নের মাধ্যমে আমরা জানতে পারব আপনি সত্যিই কর্মঠ, নাকি কর্মাসক্ত!

১. আপনি কি ব্যস্ত… নাকি অগোছালো?

কিছু মানুষ সত্যিই ব্যস্ত থাকেন, তবে অনেক সময় আমরা নিজেদের কাজের চাপে রাখি শুধু সময় ব্যবস্থাপনার অভাবে। একজন কর্মাসক্ত ব্যক্তি প্রায়ই কাজ শেষ করার জন্য ব্যস্ত থাকেন, কিন্তু এটি কি উৎপাদনশীলতা বাড়ায়? নাকি শুধুই অপ্রয়োজনীয় ব্যস্ততা?

বাংলাদেশে অনেক কর্মজীবী রয়েছে যারা ব্যস্ততার মধ্যে থাকেন, তবে সব ব্যস্ততা যে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করে, তা নয়। সময় ব্যবস্থাপনার অভাবে অনেকেই প্রয়োজনের তুলনায় বেশি চাপ নিয়ে ফেলেন, যা কর্মদক্ষতা কমিয়ে দিতে পারে।

২. আপনি কি দায়িত্ব ভাগ করে নিচ্ছেন… নাকি সবকিছু নিজেই আঁকড়ে ধরে আছেন?

সুস্থ কর্মপরিবেশে কাজ ভাগ করে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু কর্মাসক্ত ব্যক্তিরা মনে করেন, কাজের দায়িত্ব কাউকে দিলে তার মান কমে যেতে পারে। ফলে তারা সব কাজ একাই করতে চান, যা মানসিক চাপ বাড়ায় এবং ধীরে ধীরে তাদের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়।

বর্তমানে আমাদের দেশে এমন অনেক কর্মী ও উদ্যোক্তা মনে করেন, দায়িত্ব ভাগ করে দিলে কাজের গুণগতমান কমে যেতে পারে। বিশেষ করে কর্পোরেট পেশাজীবী এবং উদ্যোক্তাদের মধ্যে ‘সবকিছু নিজেই করতে হবে’ এই প্রবণতা বেশি দেখা যায়। কিন্তু গবেষণা বলছে, দায়িত্ব ভাগ না করলে মানসিক চাপ বেড়ে যায় এবং দীর্ঘমেয়াদে কর্মক্ষমতা কমে যেতে পারে।

৩. আপনি কি সত্যিই উদ্যমী… নাকি কাজের চাপেই ডুবে আছেন?

কিছু মানুষ নতুন চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে ভালোবাসেন, কিন্তু কর্মাসক্ত ব্যক্তিরা প্রায়ই নিজেদের সীমাবদ্ধতা না বুঝে অতি-উৎসাহী হয়ে অতিরিক্ত কাজ নেন। ফলে দীর্ঘমেয়াদে তারা মানসিক ও শারীরিকভাবে অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েন।

বাংলাদেশের কর্মসংস্কৃতিতে নতুন সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ গ্রহণের মানসিকতা বেশ প্রচলিত। তবে অনেক কর্মী ও উদ্যোক্তা নিজেদের সীমাবদ্ধতা বিবেচনা না করেই অতিরিক্ত কাজের ভার নেন। এতে করে কর্মী শ্রেণির মধ্যে বার্নআউট (Burnout), মানসিক চাপ, এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়। বিশেষ করে কর্পোরেট চাকরি, ব্যাংকিং সেক্টর, ফ্রিল্যান্সিং, এবং উদ্যোক্তাদের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি দেখা যায়।

৪. আপনার কি সত্যিকারের বন্ধু আছে… নাকি শুধুই প্রতিযোগী?

কর্মাসক্ত ব্যক্তিরা সাধারণত কাজের বাইরে সম্পর্ক গড়ে তুলতে ব্যর্থ হন। ধীরে ধীরে তাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক কমে যায়, এবং চারপাশে শুধু প্রতিযোগী বা সহকর্মী থাকেন। ফলে তারা একাকীত্বে ভোগেন, যা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

বর্তমানে পেশাগত প্রতিযোগিতা বেড়ে যাওয়ার কারণে কর্মীরা ব্যক্তিগত সম্পর্ক রক্ষায় পিছিয়ে পড়ছেন। কর্মস্থলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা এত বেশি যে, অনেকে শুধুমাত্র পেশাদার নেটওয়ার্কের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছেন, যা তাদের সামাজিক ও মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

৫. আপনি কি জীবনযাপনের জন্য কাজ করেন… নাকি শুধুই কাজের জন্য বেঁচে আছেন?

এটি কর্মাসক্তি বোঝার মূল প্রশ্ন। একজন সুস্থ মানুষ কাজের পাশাপাশি পরিবার, বন্ধু, অবসর সময়, এবং ব্যক্তিগত উন্নয়নকে গুরুত্ব দেন। কিন্তু কর্মাসক্ত ব্যক্তিরা মনে করেন, কাজই তাদের জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য। এই মানসিকতা ধীরে ধীরে ব্যক্তি জীবনের ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়।

বর্তমানে দিন দিন কাজের চাপ বেড়ে যাচ্ছে, বিশেষ করে কর্পোরেট, স্বাস্থ্যসেবা, এবং শিক্ষাক্ষেত্রে। অনেকেই কাজকে জীবনের প্রধান লক্ষ্য বানিয়ে ফেলেন, যার ফলে ব্যক্তিগত সম্পর্ক, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

কর্মাসক্তি বা কাজের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তির প্রভাব:

অতিরিক্ত কাজের প্রতি আসক্তি মানুষের শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্য, সম্পর্ক এবং কাজের ক্ষেত্রে অনেক নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে:-

শারীরিক স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে প্রভাব

  • বেশি ক্লান্তি অনুভব করা (Burnout): সারাক্ষণ অতিরিক্ত কাজের ফলে শরীর, মনে অবসাদ দেখা দেয়।
  • দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি (Chronic Fatigue): দীর্ঘ সময় কাজ করার কারণে শরীরের শক্তি কমে
  • যেতে পারে।
  • উচ্চ রক্তচাপ (High Blood Pressure): বেশি কাজ ও স্ট্রেসের কারণে রক্তচাপ বাড়তে পারে।
  • হৃদরোগ (Heart Disease): দীর্ঘ সময় কাজ ও অতিরিক্ত স্ট্রেস হৃদরোগের সৃষ্টি করতে পারে।
  • পেটের সমস্যা (Digestive Problems): যেমন-পেট ফোলা, অ্যাসিডিটি, পেটব্যথা এবং গ্যাস সমস্যা।
  • শরীরের পেশী বা হাড়ের সমস্যা (Musculoskeletal Disorders): দীর্ঘ সময় বসে কাজ করার কারণে পেশী বা হাড়ের সমস্যা হতে পারে।

মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে প্রভাব

  • অবসাদ (Depression): কাজের প্রতি অতিরিক্ত মনোযোগ মানসিক অবসাদ সৃষ্টি করতে পারে।
  • উদ্বেগ (Anxiety): অতিরিক্ত কাজের কারণে মানসিক চাপ ও উদ্বেগ হতে পারে।
  • ঘুম না হওয়া (Insomnia): উদ্বেগের কারণে ঘুমের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
  • খিটখিটে মেজাজ (Increased Irritability): উদ্বেগের কারণে মেজাজ খিটখিটে হতে পারে।

সম্পর্ক জনিত প্রভাব

  • পারস্পরিক সম্পর্কে সমস্যা (Strained Relationships): অতিরিক্ত কাজের কারণে পরিবারের সদস্যদের সাথে সম্পর্ক দুর্বল এবং দাম্পত্য কলহ তৈরী হতে পারে।
  • একাকীত্ব (Isolation): বন্ধু বা পরিবারের সাথে সময় না কাটানোতে একাকীত্ব অনুভব হতে পারে।
  • পছন্দের কাজ করতে না পারা (Reduced Capacity to Engage in Things You Used to Enjoy Together): অতিরিক্ত কাজের কারণে নিজস্ব কোন শখ পূরণ বা পরিবার-বন্ধুর সাথে সময় কাটানোর সুযোগ কমে যেতে পারে।

পেশাগত দিকে প্রভাব:

  • কর্মক্ষমতার ক্ষতি (Decreased Productivity): একটানা কাজ করলে মনোযোগের ঘাটতি হতে পারে, যা কর্মক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে।
  • ক্রিয়েটিভিটি কমে যাওয়া (Decreased creativity): অতিরিক্ত চাপ এবং ক্লান্তির কারণে নতুন আইডিয়া বা সমাধান বের করা কঠিন হতে পারে।
  • দলে কাজ করতে সমস্যা (Difficulty Working in Teams): একা কাজ করার জন্য, দলগত ভাবে বা এক সাথে কোন কাজ করা কঠিন হয়ে যেতে পারে।
  • কর্মক্ষেত্রে সমস্যা: দায়িত্ব ভাগ করে না নেওয়ার প্রবণতা, অতিরিক্ত কাজ নিজের ওপর নিয়ে নেওয়ার প্রবণতা, অন্যদের অনুরোধে “না” বলতে না পারা।

কর্মাসক্তি থেকে মুক্তির উপায়:

কর্মাসক্তি বা workaholic থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য কিছু কার্যকর কৌশল অনুসরণ করা যেতে পারে। এটি শুধু শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও জীবনমান উন্নত করার জন্যও খুব প্রয়োজন:-

১. কাজ ও ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা:

  • কাজের নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করুন এবং সেটি মেনে চলুন।
  • অফিসের বাইরে কাজ না করার চেষ্টা করুন (যদি খুব জরুরি না হয়)।
  • পরিবার ও বন্ধুদের জন্য সময় রাখুন।

২. নিজের জন্য প্রয়োজনীয় বিরতি নিন:

  • প্রতিদিন কিছুক্ষণ কাজের বাইরে ছোট ছোট বিরতি নিন।
  • প্রতি ঘণ্টায় ৫-১০ মিনিটের ব্রেক নিয়ে শরীর ও মস্তিষ্ককে বিশ্রাম দিন।
  • দীর্ঘ সময় বসে কাজ না করে মাঝে মাঝে হাঁটাহাঁটি করুন।

৩. প্রযুক্তি থেকে দূরে থাকা:

  • অফিসের ইমেইল বা কল ব্যক্তিগত সময়ের মধ্যে না নেওয়ার চেষ্টা করুন।
  • ঘুমানোর আগে মোবাইল বা ল্যাপটপ ব্যবহার কমিয়ে দিন।
  • ‘Do Not Disturb’ মুড ব্যবহার করে কাজের সময়সীমা নির্ধারণ করুন।

৪. অন্য ধরনের কার্যকলাপে মনোযোগ দেওয়া:

  • শখের কোনো কাজ করুন (যেমন বই পড়া, ছবি আঁকা, গান শোনা, খেলাধুলা)।
  • ধ্যান ও ব্যায়ামের মাধ্যমে মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করুন।
  • ভ্রমণে যান বা প্রকৃতির মাঝে কিছু সময় কাটান।

৫. প্রোডাক্টিভিটির পরিবর্তে দক্ষতার দিকে নজর দিন:

  • অপ্রয়োজনীয় কাজ বাদ দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজকে অগ্রাধিকার দিন।
  • মাল্টিটাস্কিং না করে একবারে একটি কাজ করুন।
  • “Time Management’ দক্ষতা বাড়ান।

৬. মানসিক স্বাস্থ্য ও আত্মউন্নয়নে বিনিয়োগ করুন:

  • প্রয়োজন হলে মনোবিশেষজ্ঞ বা কাউন্সেলরের সাহায্য নিন।
  • পরিবার ও কাছের মানুষদের সাথে কথা বলুন, অনুভূতি ভাগ করে নিন।
  • নিজের প্রতি সদয় থাকুন এবং আত্মসম্মান বাড়ান।

কর্মাসক্তি থেকে বেরিয়ে আসার জন্য ধৈর্য ও সচেতনতা দরকার। সবকিছুতে ভারসাম্য করে চলার অভ্যাস গড়ে তুললে কাজ ও ব্যক্তিগত জীবনে সুস্থ ও সুখী থাকা সম্ভব। আপনি যদি নিজেকে কর্মাসক্ত মনে করেন, তাহলে এখনই পরিবর্তনের পথে এগিয়ে যান….

আপনার যে কোন সহায়তায় আমরা সবসময় পাশেই আছি…

ইনসাইট সাইকোসোশ্যাল কেয়ার এন্ড রিসার্চ

www.insight.com.bd

এপোয়েনমেন্টের জন্য কল করুন-

+880-1834623022, +02-48321962 ,+02-226664794